Friday, December 2, 2016

কবে খুজে পাবো আমি প্রেম????

আমার শব্দ যতো কোন এক কথাবন্ধুর কাছে
ভেসে ভেসে উড়ে যায়, দেখেও না দেখে সে!
আমি সেই স্নিত হাসি শুনে বুঝে যাই
সে আমার.. সে যে আমার শব্দে লাজুক
মুঠো বার্তায় ছুঁয়ে দিলাম আঙুলে লেখা সে প্রেম
ঘড়ির কাটার শেষ ঘরে এসে আবার তোমায় হারাতে
মুঠো বার্তায় ছুঁয়ে দিলাম আঙুলে লেখা সে প্রেম
স্পর্শ করবে এই আঙুল আমার, কবে খুঁজে পাবো আমি প্রেম?

Thursday, November 17, 2016

😞😞😞😞😞😞😞

জীবনটা গুছিয়ে দেওয়ার মত যখন কেউ
থাকে না,
তখনই জীবনটা এলোমেলো মনে হয়...
অনেকে মনে করে কেউ নেই বলে
কষ্টে আছে,
আসলে এলোমেলো জীবনের
একটা আলাদা রোমান্টিসিজম আছে,
কাউকে নিয়ে কল্পনা করা,
অজানা কারো ছবি মনে আঁকা,
কাউকে নিজের করে পাওয়ার এক তীব্র
আকাঙ্কখা,
সব মিলিয়ে ভালোইতো...তাই না....তারপরেও একটা শুন্নতা,,,,,,
Facebbok...

Tuesday, November 8, 2016

জামায়াত নয়া আমির মকবুলের যুদ্ধাপরাধের তথ্য অনুসন্ধানে ফেনীতে তদন্ত দল

নভেম্বর ০৮ , ২০১৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:-জামায়াতে ইসলামীর নতুন আমির মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধের তথ্য অনুসন্ধানে’ আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত দল ফেনী পৌঁছেছে। সোমবার বিকালে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের সহকারী পরিচালক নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঢাকা থেকে ফেনী যায়।
পরে সন্ধ্যায় জামায়াতের আমির মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে ১৯৭১ এর যুদ্ধাপরাধের তথ্য-উপাত্ত অনুসন্ধানে ফেনী সার্কিট হাউজে তিনি (নুরুল ইসলাম) জেলার মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কর্মকর্তাদের কথা বলেন। ফেনী জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে তদন্ত দল অনুসন্ধানের কাজ শুরু করবে। তদন্ত দল জেলার দাগনভূঁঞা উপজেলার জয়লস্কর ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের মকবুল আহমাদের নির্দেশে হিন্দুপাড়ায় আগুন দিয়ে ১০ জনকে হত্যার ঘটনাস্থল ও একই এলাকার খুশিপুর গ্রামের আহসানউল্লাহ নামে অন্য এক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যার তথ্য, উপাত্ত সংগ্রহ ছাড়াও শহীদদের পরিবার ও প্রতক্ষ্যদর্শীদের সঙ্গে কথা বলবেন।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর আবদুল হান্নান বলেন, ‘মকবুল আহমাদের নির্দেশে ফেনীর স্থানীয় রাজাকার, আলবদর বাহিনীর সদস্যরা ফেনী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন নেতা মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা ওয়াজ উদ্দিনকে চট্টগ্রামে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। একইভাবে জেলার সর্বত্র মানবতাবিরোধী অপরাধ করে।’
দাগনভূঁঞা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শরিয়ত উল্যাহ বাঙ্গালি এই তদন্ত দলের এই অনুসন্ধানের যাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে।
তিনি আরও বলেন, ‘মকবুল আহমাদের নির্দেশে রাজাকার মোশাররফ হোসেন মশা দাগনভূঁঞা উপজেলার খুশিপুর গ্রামের আহসান উল্লাহ নামে অন্য এক মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে। রাজাকার মশা এখনও জীবিত আছে। তার বাড়ি একই উপজেলার সাফুয়া গ্রামে।’ এছাড়া মকবুলের নির্দেশেই দাগনভূঁঞা উপজেলার জয়লস্কর ইউনিয়নের লালপুর গ্রামের হিন্দুপাড়ায় আগুন দিয়ে ১০ জনকে হত্যা করা হয়। এসব পরিবারের স্বজনেরা এই অমানবিক হত্যাকাণ্ডের সাক্ষি হয়ে আছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর আমির হিসাবে শপথ নেওয়ার পর ‘জামায়াতের নতুন আমির: ৭১-এর রাজাকার-কমান্ডার, আছে হত্যার অভিযোগও’ বাংলা ট্রিবিউনে সংবাদ প্রকাশ করে। এর পরপরই মকবুল আহমাদের ‘যুদ্ধাপরাধ’ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।সুত্র- বাংলা ট্রিবিউন

Monday, November 7, 2016

অসহায় শীতার্থদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন by ওয়েল ফেয়ার ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ। writer:FI ROBIN

ওয়েল ফেয়ার ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ কর্তৃক।                      
▓ অসহায় শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ::: ▓▓ . এই শীতে , আসুন কিছু অসহায় মানুষকে দেই একটু উষ্ণতা..... . সকলের সহায়তায় ইনশাআল্লাহ আমরা এবার শীতে ১০০ জন অসহায় শীতার্তদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করার উদ্যোগ নিয়েছি।আমাদের এই কাজে আপনিও হতে পারেন একজন অংশীদার। এই মহৎ কাজের অংশীদার হতে পাঠিয়ে দিন আপনার আর্থিক সহায়তা আমাদের কাছে।
--------------------------------------------------------------- ◆◆◆ আমাদেরকে আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারবেন সরাসরি অথবা বিকাশের মাধ্যমে |পাঠাতে পারবেন যেকোন পরিমাণ অর্থ | . ◆◆◆ টাকা পাঠানোর শেষ তারিখ :০৯ডিসেম্বর ২০১৬ . ◆◆◆ আমাদের বিকাশ নাম্বার :01799599209 01864090759 (পার্সোনাল) টাকা পাঠানোর পূর্বে এবং পরে ফোন করে নিশ্চিত হোন | ◆◆◆ সরাসরি টাকা পাঠাতে যোগাযোগ করুন: 01878572597
ফেচবুকে আমরা

Friday, October 28, 2016

ওয়েলফেয়ার ব্লাড ডোনার্স গুপ এর নতুন কমিটি গঠনঃ এফ আই রবিন

ওয়েলফেয়ার ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ মানেই নোয়াখালীর একমাত্র বড বিনামূল্যে Blood donation group।
যার যাত্রা শুরু হয় ২০১১সাল থেকে কিন্তু দুঃখের বিষয় যদিও গ্রুপটি বিগত ছয় বছর ধরে সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে রক্ত দান করে আসছে কিন্তু ছিলনা তার কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম বা কোনো প্রতিষ্ঠিত সংঘঠন । বিগত তিন বছর থেকে আজ অবধি মোট ১৫৪ ব্যাগ রক্ত দান করেছে কিন্তু যার ছিলনা কোনো লিখিত প্রমান বা রিপোর্ট।
তাই গ্রুপটির বিস্তার করার জন্য এবং সাধারন মানুষের কাছে আরো বেশি পরিমান সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য আজ ২৮অক্টেবর ২০১৬ ইং তারিখে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিক ভাবে কমিটি গঠন করে এবং নতুন ভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
যার প্রধান ও অন্যতম উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে  রক্ত দিয়ে জীবন বাচানো।
এবং প্রতিষ্ঠানটির শ্লোগান হচ্ছে ""করিবো রক্ত দান বাচাবো নতুন প্রান""।
.
সংঘঠন পরিচিতিঃ
প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৮নং বিজবাগ ইউনিয়নের বীরপাডায়।
সভাপতিঃমোঃসাব্বির রহমান
সহ সভাপতিঃ মোঃ আশরাফুল ইসলাম
সেক্রেটারি ঃ আজহারুল ইসলাম সৌরভ
অর্থ সম্পাদকঃ মোঃ ইমরান হোসেন
HRD সম্পাদকঃ মোঃ ইরফান খান
প্রচার সম্পাদকঃ মোঃ সহেল আলম
প্রকাশনা সম্পাদকঃ মোঃ নাঈমুল ইসলাম
অফিস সম্পাদকঃ ইমরান হোসেন।
.
বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তে রক্তের প্রয়োজনে একবার স্মরন করার অনুরোধ রইলো যতটুকু সম্ভব ইনশাল্লাহ আমরা প্রানপন চেষ্টা করবো আপনাদের সাহায্য করার জন্য।
.
আর যদি কোনো ব্যক্তি সেচ্চায় প্রতিষ্ঠানটির সদস্য হতে আগ্রহী হোন তাহলে উপরে visiting card এ দেয়া নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।
ফেচবুকে আমরা

Thursday, October 27, 2016

এই সে খুনি বাপ্পা দিত্য বসু::FI ROBIN

এই সে খুনি বাপ্পা দিত্য বসু।
২৮ শে অক্টোবর ২০০৬ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কালো দিন,নৃশংস দিন, যে দিনের বর্বরতা বিশ্ব বিবেককে স্তম্ভিত করে দিয়েছিল । এ দিনে বাম-আওয়ামী সন্ত্রাসীরা  লাঠি দিয়ে পিঠিয়ে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ৬ জন নেতা কর্মীকে হত্যা করেছিল ঢাকা বায়তুল মোকারম মসজিদের উত্তর গেইটে। শুধু হত্যা করে ক্লান্ত হয়নি নরপিচাশের দল ,তারা লাশের উপর নৃত্য করে উল্লাস করেছিল। সমগ্র পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে দেখেছিল এ অমানবিকতা, সভ্যতার নৃশংসতা। অবাক লাগে যখন দেখি নৃত্যকারি বাপাদিত্য বসু হুঙ্কার দেয় শহীদ মিনারে পিয়াস করিম এর মত বুদ্বিজীবিদের লাশ নিতে দিবে না। সে দিন জামাতের শান্তি পূর্ণ সমাবেশে শেখ হাসিনার নির্দেশে ১৪ দলের অস্ত্রধারী ক্যাডাররা নির্মম ভাবে পিঠিয়ে হত্যা করেছিল জামাত-শিবিরের ৬ জন নেতা কর্মীকে বায়তুল মুকারমের উত্তর গেইটে।

আজ সেই ২৮শে অক্টেবর ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় সূচনার দিন।

২৮শে অক্টোবর ২০০৬ এক বিভীষিকাময় মেঘে ঢাকা দিন ।রক্ত খুন সন্ত্রাস উল্লাস ক্রন্দন ও বুকফাটা আর্তনাতে ভরা দিন ।মানুষ নামের নরপিশাচ ও হায়েনার উন্মত্ততা ও জিঘাংসায় ভরা সে ছিল ভয়াল কালো দিন । আওয়ামী নেত্রী ঘোষনা করলেন লগি বৈঠা নিয়ে আওয়ামী লীগ কর্মীরা দলে দলে আসবে রাজধানীতে .তারা লগি বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে হতা করবে জোট সরকারের সমর্থকদের ।তারা যেন মানুষ নয় কোন ভয়ঙ্কর প্রানী ।
নিরীহ নিরস্ত্র একদল মানুষের সমাবেশের চলছে প্রস্তুতি ।চলছে মন্ঞ তৈরীর কাজ ।মাসুম মুজাহিদ জসীম হাবিবুরদের ঈদের কাপড়ের ভাজ তখনো ভাঙ্গেনি ।হ্নষ্টপুষ্ট হয়নি তখনো রমজানের কঠিন পরীক্ষায় শুকিয়ে যাওয়া ভেজা ঠোটগুলো।হঠাত্ ওদের দিকে ধেয়ে এল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত খুনের নেশায় উন্মত্ত একটি বাহিনী ।ঝড়ে পড়ল কয়েকটি প্রাণ ।লগি বৈঠার আঘাতে মাটিতে ঢলে পড়ল
মুজাহিদ জসীম ও আরো অনেকের দেহ ।আঘাতের পর আঘাতে থেতলে গেল তাদের মস্তিস্ক প্রবাহিত হলো টাটকা রক্তের স্রোতস্বিনী ঢাকার কালো রাস্তার পিচে।কয়েকজনের মাথার মগজ বেরিয়ে ছিটকে পড়ল রাজপথে ।অঝোর ধারায় প্রবাহিত রক্তকণিকা দেখার পরও সাহস করে ওরা উঠে দাড়াতে চেয়েছিল ।তখন তা দেখে হো হো করে হাসছিল অমানুষগুলো ।থেতলে দিল মগজ ।ভেঙ্গে দিল ওরা তারুনত্দীপ্ত তেজস্বী ঘাড়গুলো ।চুর্নবিচুর্ন করে দিল ওরা তাদের বুকের পাজরগুলো ।উপর্যুপরি আঘাতে যখন যখন মুজাহিদ লুটিয়ে পড়ল মাটির ধুলোয় দু পায়ের হিংস্র জন্তুগুলো তার পালস দেখে নিশ্চিত করল মৃতু্¨ এবং লাশের উপর উঠে নূত¨ করতে দ্বিধাবোধ করলানা হায়েনার দল ।এ যেন আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগ ।অমানবিকতার হিংস্রতম রুপ ।
সভত্ বিশ্বের অনত্তম মেগাসিটির রাজপথে খুচিয়ে খুচিয়ে সাপের মতো পিটিয়ে ঠান্ডা মাথায় দিনের আলোয় খুনের অমানবিক দৃষত্পট চেঙ্গীসি বর্বরতা কিংবা হিটলারের অমানবতাকে বহুদুর ছাড়িয়ে গেছে ।পাশবিকতার নগ্ন রুপ প্রত্ক্ষ করল বিশ্ববিবেক ।২৮ শে অক্টোবর জাতির জীবনে এক রক্ত ভেজা ইতিহাসের জন্ম দিয়ে গেছে ।যে ইতিহাস এতই বেদনার যা কখনো ভুলবার নয় মুছবার নয় বরং চির অমলিন এক স্বৃতি জাগানিয়া হৃদকম্পন ।হেসে খেলে মানুষ খুনের লাইসেন্স এরা
পেল কোথায় ?
 সন্ত্রাসীরা এই দিনকে ইতিহাসের কালো অধ্যায় হিসেবে রচিত করেছে! সারা দেশে একযোগে জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের আল্লাহভীরু, ইসলামপ্রিয় ভাইদের উপর সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে দিনে দুপুরে, প্রকাশ্যে হায়েনাদের মত পাশবিক অত্যাচার চালিয়েছিল আওয়ামিলীগের সন্ত্রাসীরা। ইসলামী আন্দোলনের এই ভাইদেরকে হত্যা করেই ওরা থেমে যায়নি, মারা যাওয়ার পরে লাশের উপর উঠে নৃত্য করতেও দ্বিধাবোধ করেনি এই মানুষরুপী পশুরা। কি অপরাধ ছিল আমার এই ভাইদের? কোন অপরাধে তাদের উপর এমন অমানবিক আচরন করা হল??? হ্যা তাদের অপরাধ ছিল তারা মানুষকে সত্যের দিকে আহবান করত, খারাপের দিক থেকে মানুষদেরকে বিরত রাখত, তারা চেয়েছিল সমাজে/রাষ্ট্রে আল্লাহর আইনকে প্রতিষ্টিত করতে। এটাই যদি তাদের অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে সত্যিকার অর্থে এটা তো কোন অপরাধই নয়, তাহলে কেন তাদের হত্যাকারী, সন্ত্রাসীদেরকে বিচারের কাটগড়ায় দাড় করানো হচ্ছেনা? অবশ্যই দুনিয়াতে এই হত্যাকান্ডের সঠিক বিচার হবে কি না তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে, কিন্তু সকল বিচারকের বড় বিচারক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই চরম অপরাধে অপরাধীদেরকে ছাড় দিবেননা-ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন এদের বিচার করেন এই দোয়া'ই করি এবং যারা ইসলামী আন্দোলনের জন্য নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করলো আল্লাহ যেন তাদেরকে শহীদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করেন এবং যারা আহত হয়েছেন তাদেরকেও যেন আল্লাহ মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন-আমীন।
www.timesoffeni.com

Home Photos Videos blog about Register Sign in Get your coupon by submit your phone n...

Popular Post